
বিধানসভার প্রার্থী বিজয় ওঝার জনসভায়- উওর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথ জী।
রিপোর্টার , শম্পা দাস ও সমরেশ রায় , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ : আজ ২৩ শে এপ্রিল বৃহস্পতিবার, ১৬৫ নম্বর জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী বিজয় ওঝার সমর্থনে ২২ শে এপ্রিল বুধবার, কালাকার স্ট্রীট ও সত্যনারায়ণ এ সি মার্কেটের সংযোগস্থলে, ২০২৬ এ নির্বাচনকে সামনে রেখে, উওর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথ জী সমাবেশে যোগদান করেন। মঞ্চে উপস্থিত হওয়ার সাথে সাথে বিজেপি সদস্যরা জয় শ্রী রাম জয়ধ্বনি দিতে থাকেন। বাংলায় নতুন সরকার গড়তে আহ্বান এর ডাক।
মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, জোড়াসাঁকো বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী বিজয় ওঝা, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথ জী, মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়,শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তী, চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সন্তোষ পাঠক, বেলেঘাটার প্রার্থী পার্থ চৌধুরী, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিনা দেবী পুরোহিত , সুনিতা সমাঝদার, কমলেশ সিং জী, প্রমথ সিং জী, ভানু প্রকাশ মিশ্র জী, অনিল জী, আসাম থেকে রতন লাল নাথ, গোবিন্দ ঠাকুর জি সহ অন্যান্যরা।
এর পর মঞ্চে উপস্থিত সকলকে উওরীয় পরিয়ে সন্মান জানান, এবং যোগী আদিত্য নাথ জী হাতে মায়ের একটি ফটো তুলে দেন,
ভোটকে কেন্দ্র করে এবং রাজ্য সরকারকে বিদায় দিতেই বাংলায় নতুন সরকার গড়তে বিজেপির এই জনসভা, যেভাবে সারা বাংলাকে গুন্ডারাজে পরিনত করেছে, নারীদের উপর ধর্ষণ নিপীড়ন শুরু করেছে, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের পথে নিয়ে চলেছে, শিক্ষকদের চাকরি কেড়ে নিয়েছে, টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেছে, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, বাংলার শিল্পকে ধ্বংস করেছে, গরিবের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে, সেই সরকারকে বাংলা থেকে বিদায় দিতে হবে, তাই পরিবর্তনের দরকার, আপনারা একবার বাংলায় পরিবর্তন আনুন, আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি , যা যা প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকার এনেছেন আমরা ৪৫ দিনের মধ্যে সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেবো, বাংলায় শিল্প গড়ে উঠবে, শিক্ষা গড়ে উঠবে।
আর একটা কথা বলবো, আপনারা ভয় পাবেন না, নির্ভয়ে বুথে গিয়ে আপনার নিজের ভোটটি নিজে দেবেন, ২৯ এপ্রিলের ভোট আপনাদের বিবেচনার ভোট, নতুন সরকার গড়ার ভোট, সকাল সকাল ভোট দেবেন, বাংলায় পদ্ম ফুল ফোটাবেন। যাহাতে বাংলায় শান্তি শৃঙ্খলা ফিরে আসে, মা বোনেরা সম্মান পান।