1. m29006217@gmail.com : দৈনিক আগামীর বাংলা : দৈনিক আগামীর বাংলা
  2. info@www.dainikagamirbangla.com : দৈনিক আগামীর বাংলা :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে জব্বারের বলি খেলা ও বৈশাখি মেলা উপলক্ষে সিএমপিতে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত লামায় নদীতে গোসল করতে নেমে পর্যটকের মৃত্যু! ভেড়ামারায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও বার্ষিক ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। পঞ্চগড়ের দুই মাদকাবারী ৬ মাসের কারাদণ্ড তেঁতুলিয়ায় ডিসির মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ভিডিও বক্তব্য ও ছবি তুলতে মানা করায় অনুষ্ঠান বর্জন তেতুলিয়ায় কৃষককে বিনামূল্য গ্রীষ্মকালীন মুগডাল, আউজধান তিল বীজ বিতরন চসিক ও সীমান্তবিহীন চিকিৎসক দল (এমএসএফ) -এর মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর তেতুলিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন স্পিন চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়েই বাংলাদেশে আসছে নিউজিল্যান্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জের ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’ বছরে দুবার ফলন ও রপ্তানির স্বপ্নে বিভোর পলাশ

সুর ও সংগীতের জাদু ফেলে– চির নিদ্রায় আশা ভোঁসলে।

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সুর ও সংগীতের জাদু ফেলে– চির নিদ্রায় আশা ভোঁসলে।

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ: জন্ম ১৯৩৩ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর, সঙ্গলি, মুম্বাই প্রেসিডেন্সি ব্রিটিশ ভারত, বর্তমানে স্বাধীন ভারতে। ১২ই এপ্রিল ২০২৬ সকলকে ছেড়ে চিরনিদ্রায় আশা ভোঁসলে। ৯২ বছর বয়সে একাধিক অঙ্গের ব্যর্থতাকে ধরে রাখতে পারলেন না, সকলকে ছেড়ে চির বিদায় নিলেন, বাবা দিননাথ ছিলেন উচ্চাঙ্গ সংগীতের নাম করা পেশাদার ও মারাঠি থিয়েটার ও গানে জগতের নক্ষত্র। ১৯৪২ সালে দীননাথ প্রয়াত হন।‌ তাহার সন্তান লতা, মীনা আশা, ঊষা তখন ছিল খুবই নাবালক। এই সময় প্রথম লতা অভিনয় ও গানকে পেশাদার করে তুলেন। এই একই পথে আছেন মিনা আশা।
এরপর থেকেই দুই বোন যেভাবে এত বছর ধরে একটা দেশের নেপথ্য সংগীতের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন, ঠিক চার বছর আগে দিদি লতা মঙ্গেসকার যেভাবে সকলকে ছেড়ে বিদায় নিয়েছিলেন আজ তাহার বোন আশা সকলকে ছেড়ে চির বিদায় নিলেন রেখে গেলেন তাদের কন্ঠ ও গান। সোমবার তাহার অন্তেষ্টি হয় শিবাজী পার্কে, যেখানে চার বছর আগে শেষ শয্যায় ছিলেন তাহার দিদি লতা মঙ্গেশকর।

শনিবার বুকে সংক্রমণ নিয়ে মুম্বাইয়ের ব্রিজ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু রবিবার সকলকে ছেড়ে চির নিদ্রায়। রেখে যান তিন সন্তানকে। হেমন্ত ভোঁসলে ,বর্ষা ভোঁসলে, আনন্দ বসলে, তাহার দাম্পত্য সঙ্গী ছিলেন গণপতরাও ভোঁসলে। আশা ভোঁসলে ছিলেন পপ লোক সংগীত ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের স্রষ্টা এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী ও বহুমুখী প্লেব্যাক গায়িকা। তাহার কর্মজীবনে হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন, ১৯৪৩ সাল থেকে ৮ দশকেরও বেশি সময় ধরে ভাষায় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামে গান গেয়েছেন।

তিনি বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হন, দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৮টি মহারাষ্ট্র চলচ্চিত্র পুরস্কার, একটি বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার। আ জীবন সম্মাননা সহ নয়টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, দুটি গ্র্যাথি পুরস্কার, হাজার সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, ২০০৮ সালে ভারত সরকার পদ্মবিভূষণ পদক স্বীকৃতি। ২০১৮ সালে বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার, বাজারে21 সালে মহারাষ্ট্র ভূষণ পদক পুরস্কারে ভূষিত হন।

তাহার প্রথম গান ডুয়েটে চিত হয়- কাশ্মীরে কি কলি ছবিতে। বছর বয়সে প্রথম প্লে ব্যাক করেন, ১৯৪৩ সালে মাজা বল নামক মারাঠি চলচ্চিত্রে। ১৯৪৮ সালের ছবির নাম চুনারিয়া ,গান- শাওন আয়া, ১৯৪৯ সালে, রাত কি রানী ছবিতে। ১৯৫২ সালে আসার জীবন বয়ে ছিল একটি নতুন অধ্যায়, সঙ্গবিল আশাকে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছিলেন। সাজ্জাদ হোসেনের ছুরি আসা সে ছবির গানে সবার মন মুগ্ধ করেছিল, ১৯৫৮ সালে হাওড়া ব্রিজ ছবিতে , এ কেয়া কর ডালা তুনে। ১৯৫৫ সালে বাপরে বাপ ছবিতে – পিয়া পিয়া পিয়া মেয়েরা জিয়া পুকারে। ছাড়াও ওপি নায়ার ও আর ডি বর্মনের সুরে, পিয়া তু আব তো আজা, দম মারো দম, অসংখ্য বাংলা গান মানুষের মন জয় করেছিল, নাচ ময়ূরী নাচ রে, আমি পথভোলা, আকাশে আজ রঙের খেলা, মনেরও নাম মধুমতি, মন মেতেছে, ফুলের গন্ধ নেই একাধিক বাংলা গান সকলের কণ্ঠে বেজে ওঠে।

আমরা সঙ্গীত জগতের দুই কিংবদন্তিকে হারালাম, যাহাদের গান মানুষের কন্ঠকে ভেদ করে যায়, লতাজি আশাজি, চলচ্চিত্র শিল্প জগৎ মহান ব্যক্তিত্বদের হারালেন, একটু রেখে গেলেন তাহাদের কণ্ঠ সুর গান, যাহা কোনদিন মুছে যাবে না সকলের কন্ঠে নতুন করে বেজে উঠবে, দূরে থেকেও দূরে নয়, থাকবে সবার হৃদয়ে ও কন্ঠের মধ্যে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট