
আইএস আই এ খসড়া বিল প্রত্যাহারের দাবীতে- ক্যাম্পাসে কালো হাঙ্গামা ও মোমবাতি মিছিল করলেন।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ: ২০শে মার্চ শুক্রবার, কলকাতার বরানগর ও বনহুগলী সংলগ্ন , আইএসআই ক্যাম্পাসে খসড়া বিল প্রত্যাহারের দাবীতে , ১৮ ই মার্চ ছাত্র, কর্মী, শিক্ষকবৃন্দ সকলে একত্রিত হয়ে একটি কালো হাঙ্গামা ও মোমবাতি মিছিল করলেন।
তাহারা বলেন অবিলম্বে খসড়া আইএস আই বিল ২০২৫ বাতিল করতে হবে।।
এর সাথে সাথে বলেন , সম্প্রতি নির্বাচনী মসরুমের মাঝে রানাঘাটে লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ শ্রী জগন্নাথ সরকার, লোকসভায় ১১ই মার্চ ২০২৬ তারিখ একটি প্রশ্ন ত্রিশ কুড়ি করেছেন, তিনি আইএস আই এবং আই এস আই বিলের খসড়া সম্পর্কে কিছু নির্দেশনা মূলক ও মানহানিকর প্রশ্ন করেছেন, তাহার প্রশ্নে হচ্ছে তিনি আইএস আই এবং বাংলার নবজাগরণ থেকে জন্ম নেওয়া।
তাই ঐতিহ্য সম্পর্কে খুব বেশি না জেনেই প্রশ্নগুলো করেছিলেন।
শ্রী জগন্নাথ সরকারের প্রশ্ন খসড়া আই এস আই বিলের কুফল সম্পর্কে আই এস আই এর সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে করা বার বার অনুরোধ সত্বেও এখনো এস পি আই কান দিচ্ছেন না।
আই এস আই এর কর্মী, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা বিস্মিত, যে আইএস আই এর সকল এবং সংবিধিবদ্ধ সংস্থার মতামত গুরুতর উদ্যোগ ও আপত্তি আমল না নিয়েই, এম ও এস বি আই বিলটি মন্ত্রিসভার অনুমোদন করানোর চেষ্টা করছেন।
আইএস আই এর সকল শিক্ষক, বৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী আইএস আই শ্রমিক সংগঠন ও আই এস আই এর একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা যৌথ পরামর্শ কমিটির কাছে তুলে ধরেছেন, যে আইএসআই এর খসড়াটি সকলে চাকরির শর্তকে প্রভাবিত করবে।
আইএস আই এর তিনটি স্তম্ভ, আইএসআই সোসাইটি, কাউন্সিল এবং একাডেমিক কাউন্সিল এই বিলের বিরুদ্ধে।
তাহারা আরো উল্লেখ করেছেন যে আই আই এম আইনটির খসড়া প্রণয়ন ও আইন হিসেবে পাস হতে প্রায় পাঁচ বছর সময় লেগেছিল, তারা বুঝতে পারছেন না কেন এম ও এস পি আই এর আমলাতন্ত্র ৫-৬ মাসের মধ্যে এই বিলটি তড়িঘড়ি করে পাশ করাচ্ছে। এখন বিলটিতে এত বেশি ভুল রয়েছে যা আইএসআইকে বিপদে ফেলতে পারে।
এই সকলের বিরুদ্ধেই তারা ক্যাম্পাসের মধ্যে কালো হাঙ্গামা ও মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ ও করলেন।