
এস আই আর এর মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে– ধরনা ও অবস্থান।
রিপোর্টার , সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ : গত ৭ ই মার্চ শনিবার, কলকাতার ধর্মতলা মেট্রো চ্যানেলের সামনে, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে, ৬ই মার্চ দুপুর দুটোয় , এস আই আর এর মাধ্যমে যে গণহত্যা চলছে এবং ভোটাধিকার হরণ করার চক্রান্ত হচ্ছে, এবং ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে তারি বিরুদ্ধে এই ধর্ণা অবস্থান।
এই ধরনা মঞ্চ এবং প্রতিবাদ কত দিন চলবে এটা নিয়ে সংশয়, তাহারা পরিষ্কার জানিয়ে দেন, যতক্ষণ না বাংলা থেকে একটিও ভোটার লিস্ট বাদ না যায়, এবং ভোটারদের ভোটাধিকার না দেওয়া হয়, ততদিন এই ধর্ণা ও প্রতিবাদ চলবে। আমরা এস আই আর মানছি না, ভোটার লিস্ট থেকে একটি ভোটার নাম বাদ দিতে দেবো না। বাংলা বিরোধী বিজেপিকে বাংলা থেকে মুছে দেবো, বাংলার মানুষ ২০২৬-এ আবার তাদের দিদিকে দেখতে চাই।। শুধু মুখ্যমন্ত্রী রূপে নয় প্রধানমন্ত্রী রুপেও। এটাই আমাদের অঙ্গীকার।
মঞ্চে উপস্থিত আছেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সভাপতি সুব্রত বক্সী, মন্ত্রী ফিরাদ হাকিম, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, সাংসদ মালা রায়, মন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক দেবাশীষ কুমার, মন্ত্রী শশী পাঁজা, মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বিধায়ক অতীন ঘোষ, বাবুল সুপ্রিয়, মন্ত্রী সুজিত বোস, জুন মালিয়া থেকে শুরু করে একাধিক মন্ত্রী বিধায়ক এবং প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরগণ।
এই ধন্যা মর্জ প্রতিদিন দুপুর দু’টো থেকে সারারাত চলতে থাকে, দূর দুরান্ত থেকে তৃণমূল কর্মীরা এই ধরনা মঞ্চের সামনে মিছিল করে উপস্থিত হচ্ছেন, মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরাও ধন্য মঞ্চে উপস্থিত হচ্ছেন এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিধিরা ধর্ণা মঞ্চের সামনে ভিড় জমাচ্ছে।
তাহারা বলেন যেভাবে বাংলা বিরোধী বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার অপরিকল্পিতভাবে sir এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোটার লিস্ট থেকে নাম্বার দেয়া হয়েছে, জীবিত মানুষকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে, আমরা এরই প্রতিবাদে ধরনা দিচ্ছি, এস আই আর র নাম করে বিদেশে গিয়ে খেটে খাওয়া মানুষের রুজি রোজগার বন্ধ করে দিয়েছে, তাদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে, বাংলাদেশী বলে তাদেরকে বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যাহার ফলে সেই সকল পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে, বিজেপি সরকার সকলকে রোহিঙ্গা বলে চিহ্নিত করছেন।, অথচ যাদের পূর্বপুরুষরা এ দেশে বাস করে গেছেন, যাদের ছেলে মেয়ে এই বাংলায় বসবাস করছেন, যাদের ভোটার লিস্টে নাম আছে, দের কেউ বিভিন্নভাবে বিপর্যস্ত করছেন, এটা বেশিদিন হতে দেওয়া যাবে না,
আর কেন্দ্রীয় সরকারকে বারবার একটা কথাই অনুসরণ করে দিই, আপনারা যতই বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার করুন না কেন, বাংলার মানুষ আপনাকে মেনে নেবে না, ২০২৬-এ বাংলার মানুষ আবার তাদের দিদিকে দেখতে চাই।, আর ২০২৬-এ বিজেপি বাংলায় থাকবে না। আমরা থাকতে দেব না। বাংলার প্রতিটা মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকারে ভোট দেবে এবং তাদের ভোটার লিস্টের নাম থাকবে,
মঞ্চ থেকে বিভিন্ন নেতা ও মন্ত্রীরা বলেন, দিদির পাশে আছি, দেখব কি করে? ভোটার লিস্ট থেকে নাম্বার দিতে পারে, আর বাংলার মানুষ আপনাদেরকে আবার জবাব দেবে, আমাদের দিদি আবার জিতবে, বাংলার মানুষ সেটাই দেখতে চায়, আর সকলের সামনে তুলে ধরার জন্য আর বাবা মা দীর্ঘদিন ধরে এদেশে বাস করছেন, যে সকল প্রার্থীর নাম ভোটার লিস্টটি কে কেটে বাদ দেয়া হয়েছে সবাই উপস্থিত আছেন।