
১৪ই মার্চ ব্রিগেড সমাবেশকে সামনে রেখে -পরিবর্তন যাত্রার ট্যাবলোর শুভ সূচনা ও সমাবেশ করলেন।।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ: আজ ৬ই মার্চ শুক্রবার, কলকাতা রানী রাসমণি রোডের সংযোগস্থলে, ভারতীয় জনতা পার্টি , ১৪ ই মার্চের ব্রিগেড সমাবেশ কে কেন্দ্র করে, পরিবর্তন যাত্রা ডাক দিয়েছেন, তাহার সমাবেশ ও ট্যাবলোর শুভ সূচনা করলেন।, দৃষ্টি বিধানসভা এলাকার প্রত্যেকটি একটি করে ট্যাবলো হাতে তুলে দিলেন।,
এই পরিবর্তন যাত্রা কে সফল করতে এবং দিকে দিকে মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে লাগলো গুলি প্রতিদিন এলাকায় এলাকায় জনসংযোগ তৈরি করবেন,
কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েকশে বাইক রালী করে জয় শ্রী রামের জয় ধ্বনি দিতে দিতে রানী রাসমণি রোডে জমায়েতন, এবং সেখানে একটি সমাবেশে আয়োজন করা হয়।। যাদবপুর ৮বি, টালিগঞ্জ ফাঁড়ি, নেকমল, জায়গা থেকে বাইক ল্যারী দুপুর দুটোয় শুরু হয়।
এই পরিবর্তন যাত্রার ট্যাবলোর শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায়, সঞ্জয় সিং, সজল ঘোষ, তমগ্ন ঘোষ, বিজয় ওঝা ,শশী অগ্নিহোত্রী, মিনা দেবী পুরোহিত সহ অন্যান্য নেতাও নেতৃবৃন্দ। এই পরিবর্তন যাত্রা থেকে ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
পরিবর্তন যাত্রার মূল উদ্দেশ্য হলো পরিবর্তনের লক্ষ্যে, যেভাবে সাধারণ মানুষ টি বিরক্ত হয়ে পড়েছে, যাদের কোন সুরক্ষা নেই, তাহারা সবসময় ভয়ের মধ্যে দিন কাটান, এবং যাহারা ১৫ বছর আগে বাংলায় যাকে বসিয়েছিলেন পরিবর্তনের জন্য, যাহাকে সবাই সহযোগিতা করেছিলেন, এবার হয়তো বাংলায় পরিবর্তন আসবে, কিন্তু তাহার পরিবর্তে সাধারণ মানুষ উল্টো দেখছে, প্রশাসনিক বিভাগ থেকে শুরু করে আইন-কানুন সমস্ত কিছু মূল্যহীন হয়ে পড়েছে, আইন বলে বাংলায় কিছু নাই, তাহার জন্য সাধারণ মানুষ সঠিক বিচার পাচ্ছে না, প্রশাসনে ঘুসের পাহাড় তৈরি হয়েছে, যাহারা টাকার বিনিময়ে অন্যায়কে ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করেন, নায়ের বিচার করেন না, সাধারণ মানুষ ৩৪ বছর ধরে যে পরিস্থিতির মধ্যে জীবন যাপন করতেন, তারপরও একই দেখছে, পরিবর্তনের বদলে শুধু অত্যাচার, নিপীড়ন, খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি ,চুরি, কোনটাই বাকী নাই, বারবার প্রমাণ করিয়ে দিয়েছেন অভয়ার মতো একটি নিরীহ মেয়ের নিশংস হত্যা, আজও যাহার বিচার অধরা, কাহার বাবা-মা আজও চোখের জল ফেলছেন ন্যায়বিচারের জন্য, কোটে কোটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাই সাধারণ মানুষ এবার পরিবর্তন চায়, নতুন কিছু দেখতে চাই, আর এই নতুন দেখতে পরিবর্তন আনতেই হবে,
তাহারা মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিলেন, আপনাদের কেউ রাজিব কুমারের মতো পুরস্কার পেতে হবে। আর সেটা বেশিদিন নয় এখনো নিজেদেরকে সংযত করুন।, নাহলে তখন পস্তাতে হবে, তখন দেখবেন যাহার জন্য আপনারা এইসব করছেন তার ফল কি হতে পারে, এখনো আপনারা বিভিন্ন নেতা-নেত্রীর ছবি দেখতে পেয়েছেন একদিন দেখবেন কয়েক বছর পর এই নেত্রীর ছবিও কোথাও দেখতে পাবেন না। তাই পুলিশকর্তাদের বলবো যতই দালালি করুন এর শেষ হবে।
আমি বিনীত কোয়েলের মত ২৪ টা কমিশনারকে দেখেছি এই কলকাতা পুলিশ দেখিনি, ওসিও দেখিনি ,ডিসিও দেখিনি, জয়েন্ট সিপিও দেখেনি, সিপিও দেখেনি। এরা মানুষের ফোন ধরতে ভয় পায়। কতদিন ফোন না ধরে থাকবেন একদিন আপনাদের জবাব দিতে হবে। সাধারণ মানুষের কাছে। সাধারণ মানুষ বুঝতে শিখেছে, চোখের সামনে দেখতে শিখেছে, তারা আজ ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে কিন্তু এটা এক ভাবে থাকতে পারে না তাই মোদীজি পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন, ১৪ ই মার্চ বিগেড সমাবেশে,
পরিবর্তনকে সামনে রেখে, এই সমাবেশ থেকে ট্যাবলোর শুভ সূচনা করা হলো, ডাবলু প্রত্যেকটি বিধানসভা এলাকায় ঘুরবে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করবে, নতুন বাংলা ডাক দেওয়ার আহ্বান জানাবে,
আপনারা এও জানেন প্রতিবারে ভোটের আগে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ধর্ম তলায় ঝরনা দিয়ে নাটক করতে বসেন, নাটক সাধারণ মানুষ এতদিন ধরে দেখে এসেছে আর দেখতে চায়না, তাহারা চায় নতুন বাংলা দেখতে, নিজেরা সুরক্ষিত থাকতে,
আপনারা জানেন এস আই আর নিয়ে যে বোল বিবৃতি ছড়িয়েছে, আহার এতটুকুও কিছু ঘটেনি, সাধারণ মানুষ সরব হয়েছে এস আই আর কে সহযোগিতা করেছে, অথচ সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্ত ছড়িয়ে যাচ্ছে, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মোদীজি কোনদিন বলেননি যাহারা দীর্ঘদিন ধরে এখানে বাস করছেন তাহাদেরকে হেরে যেতে হবে বা উঠে যেতে হবে তাদের কোন অধিকার থাকবে না, তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যাদের এখানে আধিপত্য আছে দীর্ঘদিন ধরে বাস করছেন তাহারা কেহই কোথাও যাবে না, তাহারা এখানেরই বাসিন্দা হবেন, কিন্তু যাহারা বাংলাকে ভাগ করতে চাইছে, বাংলার মানুষের মনে হিংসা ছড়াতে চাইছে, মিথ্যা প্রচার করে বিজেপি উপর দোষ চাপাতে চাইছে, আমরা তাহা কোনদিন মেনে নেব না।, যতই দিদি নাটক করুক, জনগণ বুঝতে শিখেছে আপনাকে ২০২৬ শে বিদায় দিয়েই ছাড়বে, সাধারণ মানুষও বুঝে গেছে বাংলায় ন্যায়বিচার হয় না। এই বাংলায় দোষী খুনি ও ধর্ষণকারীদের হয়ে বিচার হয়।। আর তাদেরকে বাঁচাতেই কোটি কোটি ছুটে যান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, আই মিসৃঙ্খলা কে নিজের হাতে তুলে, সংবিধানকে ধ্বংস করে, লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকা খরচা করে ন্যায় কে ধামাচাপা দিয়ে, অন্যায়কে সাপোর্ট করে সওয়াল করেন। তাই তৈরি হন, মানুষ পরিবর্তন চায়, উনার বিদায়ের বাজনা 26 এই জনগণ বাজাবে। যতই পঞ্চ বেঁধে নাটক করুন, তাই পরিবর্তন আনতে মোদীজি আসছে বিগেড মাঠে, সবাই সামিল হন, কিসের কিসের পরিবর্তন হতে চলেছে। এমনকি কালীঘাটের কালী বলুন ,আর দীঘার জগন্নাথ ধাম বলুন, কেউ আপনার বিচারে সন্তুষ্ট নয়। মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। দেব দেবীরা ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন।