
আর একদিন বাদেই কালী মন্দিরে মন্দিরে পূজিত হবে ফলহারিনী কালীপুজো।
রিপোর্টার , সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ: ১৪ ই মে বৃহস্পতিবার, কলকাতার কুমারটুলি পাড়া থেকে শুরু করে অন্যান্য এলাকার মৃৎশিল্পীরা কালী প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত। কারণ মাঝে একদিন বাদেই এই ফলহারিনী কালীমাতা পুজিত হবে মন্দিরে মন্দিরে। তাই মৃৎ শিল্পীদের প্রতিমার কাজ শেষ করার তোর জোর।
মৃৎশিল্পীদের কাছে জানা যায়, এই অমাবস্যায় বেশিরভাগ মন্দিরে ফলহারিনী কালী মায়ের পূজো হয়ে থাকে। আবার এই দিনটিতে অনেকে মানৎ শোধও করেন, মন্দিরে মন্দিরে ভক্তদেরও ভীড় জমে উঠে ,শুধু এলাকার কালী মন্দির নয়,
কালীঘাট থেকে শুরু করে দক্ষিণেশ্বর, আদ্যাপীঠ পর্যন্ত দর্শনার্থীদের ভিড় জমে উঠে। দূর দুরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা পুজো দিতে আসেন। এবং ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মায়ের পুজো দেন।
তাই একদিকে যেমন চলছে মৃৎ শিল্পীদের কাজ শেষ করার তোড় জোর, অন্যদিকে মন্দিরে মন্দিরে চলছে মন্দির সাজানোর কাজ, প্যান্ডেল তৈরির কাজ,
মৃৎ শিল্পীরা জানালেন এবারে আমাদের কাছে অনেক দূর দূরান্ত থেকে এই কালী মায়ের অর্ডার দিয়ে গেছেন, এবারে সবচাইতে বেশি এই কালীমা তৈরি হয়েছে। জেলা থেকে শহর সব জায়গা থেকেই প্রতিমার অর্ডার এসেছিল।
এবারে আমাদের এই কালী মায়ের সবথেকে কম দাম রাখা হয়েছে ৩০০০ টাকা, এরপর পাঁচ হাজার, ছয় হাজার তার ঊর্ধ্বেও দাম রয়েছে প্রতিমার। গয়নার সাজের উপর প্রতিমার দাম বৃদ্ধি হয়েছে। আর যেভাবে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গিয়েছে আমাদের মজুরি পোশায় না। তাই বাধ্য হই দাম বাড়াতে। শিল্পী নারায়ণ চন্দ্র পাল একথাই জানালেন, তিনি জানান আমরা যে ডাকের গয়না পড়ায় তাহার দাম অনেক পরে যায়।
একে একে উদ্যোক্তারা প্রতিমা নিতে হাজির হয়েছেন, তাহারা বলেন বোঝা যাচ্ছে না কখন বৃষ্টি হয় , তাই একদিন আগে থেকে প্রতিমা নিয়ে চলে যাচ্ছি। এরপর আমাদের সাজানোর ও বাজার করার কাজ আছে। তবে অন্যান্য বারের তুলনায় এবারে প্রতিমার দাম অনেকটাই বেশি বলে জানালেন।। কিন্তু তবুও বছরে এই দিনটিতে মায়ের পুজো করতে হয়।