
বকেয়াসহ অন্যান্য দাবী নিয়ে, বিক্ষোভ- সমাবেশ ও ডেপুটেশন।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ: ১৮ ই মার্চ বুধবার, ঠিক দুপুর বারোটায় , কলকাতা কর্পোরেশন ভবনের পাশে, বিভিন্ন দাবী নিয়ে, ওয়েস্ট বেঙ্গল government employee ইউনিয়নের (নবপর্যায়ের) কর্মীরা জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ডেপুটেশন দেন।।
দলমত নির্বিশেষে প্রকৃত ঐক্য গড়ে তুলে, সার্বিক আন্দোলনের মাধ্যমে ন্যায্য দাবী আদায় এর জন্য কয়েকশো মিড ডে মিল ওয়ার্কার ও আশা কর্মীরা এই সমাবেশে শামিল হন। বিক্ষোভ ও সমাবেশের পর নবান্নে ডেপু্রেশন দিতে যান।
এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, বিমান বসাক, পুষ্প বিশ্বাস, দীপক রায়,, তপন চক্রবর্তী, ইসমাতারা খাতুন সহ অন্যান্যরা।
তাহাদের দাবী সমূহ-বকেয়া সহ সমস্ত মহার্ঘ ভাতা দিতে হবে,সমস্ত অনিয়মিত- অস্থায়ী – ক্যাজুয়াল ও এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মীদের নিয়মিতকরণ করতে হবে।।
১/১ /২০২৬ থেকে বেতন সংশোধন করতে হবে,সমস্ত জায়গায় শূন্যপদ পূরণ করতে হবে। সরকারি অফিস গুলিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনীতির হস্তক্ষেপ করা চলবে না
কোনো কারণ ছাড়া বদলি করা চলবে না,তাহারা বলেন দিয়ে আবশ্যিকভাবে বেতনের অবিচ্ছেদ্য অংশ যা নিয়োগকর্তার আর্থিক ক্ষমতা বা নিরপেক্ষভাবে কর্মচারীদের অধিকার। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায় কর্মচারীদের আইনের অধিকারকেই স্বীকৃতি দিয়েছে, রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের রায় কেউ মানতে অস্বীকার করছে, উল্টোদিকে ভাবুনতো কর্মচারীর বিরুদ্ধে রায় হলে সরকার কি করে, পা গুটিয়ে বসে থাকে মারবো ভাতা আত্মসাৎ করা মানে বেতনের বঞ্চনা, এক এক দুই হাজার ছাব্বিশ থেকে বেতন সংশোধনের দাবিও আমরা জানিয়ে এসেছি,
সরকারি দপ্তরে অফিসে হাসপাতালে প্রায় সব রকম স্থায়ী কাজেই অস্থায়ী অনিয়মিত ক্যাজুয়েল এজেন্সির মাধ্যমে কর্মীদের নিয়োগ করা হচ্ছে। কিন্তু এরাই সব থেকে বঞ্চিত প্রান্তিক কর্মচারী সমকাজে সমবেতন নীতি স্বীকৃতি হলেও কার্যকর করা হয়নি।, তাই সমতল কাজের স্থায়ী পদে কর্মরতদের সমান বেতন ভাতা সামাজিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।। উমাদেবী বনাম ভারত সরকার মামলা সুপ্রিমকোর্ট বলেছিল যে স্থায়ী কাজে অস্থায়ী নিয়োগ করা চলবে না, কিন্তু সরকার কোথাও সরকারি ক্যাজুয়াল ও চুক্তিপ্রসাই নিয়োগ করছে কোথাও এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগ করছেন।
তাই সকলের দাবী নিয়ে আজ মিড ডে মিল কর্মী থেকে শুরু করে আশা কর্মীরা এই বিক্ষোভ সমাবেশে শামিল হয়েছেন তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য, যতদিন না ন্যায্য দাবি আদায় হবে তারা এই আন্দোলন চালাবেন। তারা বলেন আমাদেরকে দিয়ে বিভিন্ন রকম কাজ করিয়ে থাকেন কিন্তু বেতনের দিকে এবং সুযোগ-সুবিদের দিকে আমাদের পিছিয়ে রাখা হচ্ছে বঞ্চনা করা হচ্ছে। আমরা আর মানব না। অবিলম্বে আমাদের দাবি পূরণ করতে হবে। এবং আমাদেরকে স্থায়ী করতে হবে।