1. m29006217@gmail.com : দৈনিক আগামীর বাংলা : দৈনিক আগামীর বাংলা
  2. info@www.dainikagamirbangla.com : দৈনিক আগামীর বাংলা :
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওসমানীনগরে জনবল ও যন্ত্রপাতি সংকটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা হাসপাতালের অনুমোদন হলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা। ঘুমন্ত  স্ত্রীকে বটি দিয়ে  কুপিয়ে হত্যার দায়ে, স্বামী গ্রেফতার ত্রিশাল মডেল থানার ওসির নেতৃত্বে জোরালো অভিযানে ইয়াবাসহ আটক -১ শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে ও ৫ মে’র  ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির দাবি—হাটহাজারীতে ছাত্র জমিয়তের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অটো চালকদের অবরোধ ভূমিদস্যুদের হামলা-মামলার প্রতিবাদে বীরগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি। মাদকবিরোধী অভিযানে মিলল মাটির নিচে কক্ষ ও সুড়ঙ্গপথ। ওসমানীনগরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত জাতির উন্নয়নে পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই — তাহসিনা রুশদী লুনা বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নেত্রকোনা শাখার উদ্যোগে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

গাজীপুরে বকেয়া বিলের দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ভাঙচুর।

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরে বকেয়া বিলের দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ভাঙচুর।

 

মোঃসুলতান মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার।গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে বকেয়া নাইট বিল ও বাৎসরিক ছুটির টাকার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করেছে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।

কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় ‘রিপন নীট ওয়্যার লিমিটেড কারখানার’ পোশাক শ্রমিকরা বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে এ কর্মবিরতি শুরু করেন।

এক পর্যায়ে শ্রমিকরা কারখানার কয়েকজন কর্মকর্তাকে লাঞ্চিত ও ভেতরে ভাঙচুর শুরু করে। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে বিকালে পাওনা পরিশোধ শুরু হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ কোনাবাড়ী জোনের পরিদর্শক মো. মোর্শেদ জামান বলেন, “কারখানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শিল্প পুলিশের পাশাপাশি পর্যাপ্ত মেট্রোপলিটন পুলিশও মোতায়েন করা হয়। বকেয়া নাইট বিল দেওয়া শুরু করলে শ্রমিকরা আন্দোলন ছেড়ে বেড়িয়ে যায়।”

পুলিশ ও আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত তিন মাসের বকেয়া নাইট বিল ও বাৎসরিক ছুটির টাকার দাবিতে শ্রমিকরা বুধবার বেলা ১২টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করে। সেদিন বিকাল ৫টার দিকে আন্দোলন স্থগিত করে করে চলে যান তারা।

একই দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার সময় শ্রমিকরা কারখানাতে গিয়ে আবারও কর্মবিরতি শুরু করেন। এ সময় পাওনা পরিশোধ নিয়ে কারখানার কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে শ্রমিকদের তর্কবিতর্ক শুরু হয়।

এক পর্যায়ে শ্রমিককরা তাদের শারীরিকভাবে ‘লাঞ্ছিত’ করে। পরে শ্রমিকরা সবাই কারখানার এসেম্বলিতে গিয়ে অবস্থান নেয় এবং কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বকেয়া পাওনা পরিশোধের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা ভাঙচুর বন্ধ করে কারখানার ভেতরে অবস্থান নেয়।

রিপন নীট ওয়্যার লিমিটেডের কাটিং সেকশনের এক অপারেটর (নাম প্রকাশ করতে চাননি) বলছিলেন, প্রতিদিন রাত ১১-১২টা পর্যন্ত তারা ডিউটি করেন। অথচ ঠিক মতো নাইট বিল পরিশোধ করে না কারখানা কর্তৃপক্ষ। রোজার মাসেও রাত ১১টা পর্যন্ত ডিউটি করতে হয়।

ওই সেকশনের ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, শ্রমিকরা একই দাবিতে তারা বুধবার আন্দোলন করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার পর থেকে আবার আন্দোলন শুরু হয়। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা স্টাফদের ওপর হামলা চালিয়ে কারখানায় ভাঙচুর করে।

তিনি বলেন, “আমি কোনোমতে পালিয়ে রক্ষা পেয়েছি।”

এসব বিষয়ে রিপন নীট ওয়্যার লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিন মাসের বকেয়া নাইট বিল ও বাৎসরিক ছুটির মধ্যে এক মাসের লাইট বিল পরিশোধের আশ্বাস দিলেও শ্রমিকরা তা না মেনে আন্দোলন অব্যাহত রাখে। পরে মালিক তাদের তিন মাসের নাইট বিল এবং রোববার বাৎসরিক ছুটির বকেয়া টাকা পরিশোধ করার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

বিকাল ৩টার দিকে নাইট বিল দেওয়া শুরু হয় বলে জানান তিনি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট