1. m29006217@gmail.com : দৈনিক আগামীর বাংলা : দৈনিক আগামীর বাংলা
  2. info@www.dainikagamirbangla.com : দৈনিক আগামীর বাংলা :
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ,নবান্নে গান অফ স্যালুট দিয়ে সম্বর্ধনা জানালেন। ফরিদপুরে হযরত দয়াল মা (রহ.)৬৯ তম শুভ জন্মদিন উদযাপন-২০২৬ ওসমানীনগরে জনবল ও যন্ত্রপাতি সংকটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা হাসপাতালের অনুমোদন হলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা। ঘুমন্ত  স্ত্রীকে বটি দিয়ে  কুপিয়ে হত্যার দায়ে, স্বামী গ্রেফতার ত্রিশাল মডেল থানার ওসির নেতৃত্বে জোরালো অভিযানে ইয়াবাসহ আটক -১ শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে ও ৫ মে’র  ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির দাবি—হাটহাজারীতে ছাত্র জমিয়তের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অটো চালকদের অবরোধ ভূমিদস্যুদের হামলা-মামলার প্রতিবাদে বীরগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন শ্রীপুর পৌরসভার অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, দুই শতাধিক পরিবার পানি বন্ধি। মাদকবিরোধী অভিযানে মিলল মাটির নিচে কক্ষ ও সুড়ঙ্গপথ।

৭১ বছর বয়সে মুকুল রায়ের প্রয়াণ‌ ও বিধানসভায় সকলে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন। 

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

৭১ বছর বয়সে মুকুল রায়ের প্রয়াণ‌ ও বিধানসভায় সকলে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন।

 

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ: আজ ২৪ শে ফেব্রুয়ারি ‌ মঙ্গলবার, কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ রোগভোগের পর ২৩ শে ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুর দেড় টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাহার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তাহার ‌ জন্ম হয়েছিল ১৭ এপ্রিল ১৯৫৪ সালে কাঁচরাপাড়ায়, সাধারণ ঘর থেকে উঠে আসা এই তাবোর রাজনীতিবিদের। তাহাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বিধানসভায় আনা হয়।। প্রায় ৬০০ দিন ধরে বেসরকারি হাসপাতালে কমায় আক্রান্ত ছিলেন। ২৩ শে ফেব্রুয়ারি ঠিক দুপুর ১:৩০ টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন, রেখে গেলেন তাহার পত্নি ও পুত্রকে।

বিধানসভায় শায়িত রাখা কালীন শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, সুজিত বোস, শশী পাঁজা, হুমায়ুন কবীর সহ বিভিন্ন দলের রাজনীতিবিদেরা। শেষ শ্রদ্ধা জানানোর পর, তাহাকে নিয়ে যাওয়া হয় কাচরাপাড়ার বাড়িতে এবং সেখান থেকে হালিশহরের শ্মশানে ।

তিনি তাহার কলেজ জীবন থেকে রাজনৈতিক জীবনে বহু সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন, সংগঠনগুলিকে শক্ত করার কাজ করেন। পরে তিনি বর্ষীয়ান নেতা হিসাবে সকলের কাছে পরিচিত হন।

তিনি একের পর এক দলে যুক্ত হন, ২০১৭ সাল অব্দি ভারতীয় সংসদ রাজ্যসভার এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন, এবং ২০১১ থেকে ১২ সাল পর্যন্ত ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের রেল মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানে তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন নেতা হিসাবে পরিচিতি হন।

১৯৯৮ সালে তৃণমূল গঠনের সময় বিশ্বস্ত সৈনিক ও সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মূল ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন, এমনকি দিল্লি ও রাজ্যে দুই জায়গায় ভিত শক্ত করার অবদান অনেক বেশি।

একদিকে যেমন রাজ্যসভার সংসদ, অন্যদিকে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সভাতেও জায়গা করে নিয়েছিলেন।

নির্বাচনের আগে সংগঠন সাজানো, বিরোধী শিবির ভাঙ্গা, ভোটের সমীকরণ সব ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন মেরুদন্ড,এক সময় মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খুব কাছের হয়ে উঠেছিলেন, পরবর্তী কালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী কিছুটা মুখ ফিরিয়ে নেন, এরপর তিনি পুনরায় তৃণমূলে ফিরে আসেন। কিন্তু আসলেও আগের মত ততটা প্রলেপ ফেলেনি।

এরকম একটি লড়াকু নেতাকে হারিয়ে এর বড়ো ক্ষতি হল, সকল নেতা মন্ত্রীরা বলেন ওনার কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছু জানার ছিল, অনেক কিছু শিখতে পেরেছি,তাই উনি আমাদের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন, কোনদিনও ভুলবো না।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট