
নকছের আলী ভান্ডারী কে – ভারতের, দৈনিক দুরন্ত বাংলা থেকে– শ্রেষ্ঠ বাবার সম্মান ২০২৫ তুলে দিলেন।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা , পশ্চিমবঙ্গ,
আজ ১৭ই ডিসেম্বর বুধবার, ২৯ শে নভেম্বর বাঁশআড়া কাশিমপুর ভান্ডারিয়া দরবারের ৩২ তম ওরশ উৎসবে , গবেষক, গীতিকার ও সাহিত্যিক , লেখক এবং যিনি ভান্ডারিয়া দরবার শরীফের সম্পাদক, শাহ সুফী মো: নকছের আলী ভান্ডারীকে, ভারতের দৈনিক দুরন্ত বাংলা তরফ থেকে সম্পাদিকা ও সংগঠক শম্পা দাস- শ্রেষ্ঠ বাবা ২০২৫ সম্মানে ভূষিত করলেন। যিনি আজ একটু একটু করে এবং অক্লান্ত পরিশ্রমে, এমনকি, না খেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে এই দরবার শরীফকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন, আজ মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। আজ সবাই যাহাকে বাবা বলে সম্মান করেন।
এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কে এম আলম, টমে সাধারণ সম্পাদ ক কুমারখালী উপজেলা শিল্পকলা একাডেমী, খন্দকার লিপু আমির সভাপতি কুমারখালী প্রেসক্লাব, ডাক্তার মোঃ আবুল হাশিম চক্ষু বিশেষজ্ঞ,সার্জন, সহ অধ্যাপক ফরিদপুর ও বগুড়া মেডিকেল কলেজ। সৈয়দা রাশিদা বাড়ী, কবি সাহিত্যিক সিনিয়র সাংবাদিক ,সম্পাদক ,সংগঠক এবং প্রধান উপদেষ্টা বাঁশআড়া কাশিমপুর ভান্ডারিয়া দরবার শরীফ। সৈয়দা তানিয়া সিমি কবি ও লেখক-, রাজবাড়ী , শুভ্রা বিশ্বাস কবি ও সাংবাদিক ঢাকা, বকুল চৌধুরী প্রতিষ্ঠাতা, সভাপতি কুমারখালী প্রেসক্লাব, মিজানুর রহমান লাকি সিনিয়র সাংবাদিক ও সংগঠক কুষ্টিয়া, শিশির অধিকারী, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফারুক হোসেন, সুজন হোসেন এবং নিশান সহ অন্যান্য সহকর্মীরা ও বিশিষ্ট অতিথিরা।
ভারতের , দৈনিক দুরন্ত বাংলার সম্পাদিকা শম্পা দাস, গবেষক, গীতিকার, সাহিত্যিক , লেখক এবং যিনি বাঁশআড়া কাশিমপুর ভান্ডারিয়া দরবার শরীফের সম্পাদক শাহ সুফি মো: নকছের আলী ভান্ডারীর মতো গুণী মানুষের হাতে ” শ্রেষ্ঠ বাবা ২০২৫” সম্মান তুলে দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করেন। এরকম একটি সুযোগ পাওয়ার জন্য, এবং সকলে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
কারণ তিনি শুধু কবি ,সাহিত্যিক লেখক ও গীতিকারি নয়, যাহার একটি বইও শুভ সূচনা হয়, গানে ও কবিতায় -” মুনি ঋষির ভাব” যে বইটির মধ্য থেকে লেখকের লেখা বেশ কয়েকটি গান বাংলাদেশের ও কবিতা বেজে ওঠে, আর যিনি দীর্ঘ ৩২ বছর ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ,অক্লান্ত পরিশ্রম এর মধ্য দিয়ে , ঝড়-বৃষ্টি রৌদ্রকে উপেক্ষা করে, সকলের দ্বারে দ্বারে সাহায্য চেয়ে, সকলের মঙ্গল কামনার জন্য, নিজের এলাকায় একটি ভান্ডারিয়া শরীফ তৈরি করার চেষ্টা করেছেন, এবং আজ তিনি সফল হয়েছেন, সবার কাছে বাবা নামে পরিচিত হয়েছেন, যে ভান্ডারিয়া শরীফ আজ ৩২ তম বর্ষে পদার্পণ করলো, যেখানে মানুষের সমাগম, এলাকাবাসীর সমাগম, দূরান্ত থেকে এলাকাবাসী এই ভান্ডারিয়া দরবার শরীফের উৎসবে মেতে উঠেছেন, বাবার একটু আশীর্বাদ নেওয়ার জন্য, যিনি কোন কিছুতে কোনদিন কাউকে না বলেন না, সর্বদায় সব কথা হাসিমুখে মেনে নেন, তাহার একটাই প্রার্থনা কোন বিদ্বেষ নয়, কোন খুন খারাপী নয়, ঝগড়া অশান্তি নয়, আসো আমরা একসাথে মিলে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে এই ভান্ডারিয়া দরবার শরীফকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এটাই আমার মূল লক্ষ্য, তাই এরকম একজন গুণী ব্যক্তিকে আমি সম্মান তুলে দিতে পেরে নিজেকে গর্ব অনুভব করছি, যিনি আমাকে মেয়ের মত ভালবাসেন, আমাকে আপন করে নিয়েছেন, যাহার পরিবারও আমাকে সব সময় উৎসাহ জাগিয়েছেন, প্রতিটা মুহূর্তে বাংলাদেশে বসে ভারতে আমি কেমন আছি খোঁজ খবর নিয়ে চলেন, আমার কাজকর্মের দিকে সর্বদায় লক্ষ্য রাখেন, এইরকম একজন বাবাকে এই উপাধি দিতে পেরে আজ আমি আনন্দিত। বাবা আরো এগিয়ে যাক এই কামনাই করবো। আরো সম্মান পাক।
সর্বশেষে সম্মানিত ভান্ডারিয়া শরীফের সম্পাদক নকছের আলী ভান্ডারি মহাশয় বলেন এইভাবে যে আমি মেয়ের কাছ থেকে ভারতীয় সম্মান পাবো, এটা কোনদিন আশা করিনি, সুদূর ভারত থেকে এসে যে আমাকে এইভাবে সম্মানিত করবে, সাহস নিয়ে ও মনের জোর নিয়ে আমার অনুষ্ঠানে যে আসতে পারবে এটাও কল্পনা ছিল,এস আই আর নিয়ে যেভাবে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়েছিল , এমনকি বাংলাদেশেরও বিভিন্ন জায়গায় যে পরিস্থিতি , আমি আশা করিনি শম্পা আসতে পারবে। আর এইভাবে আমাকে সম্মানে ভূষিত করবে। ভারতের সম্মান পেয়ে আমি নিজে গর্বিত, শুধু একটাই কামনা করবো, ভারত বাংলা যেন আগের মতো মেইল বন্ধন ঘটে, সব বিভেদ ভুলে একসাথে হতে পারে, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন এক ছাদের তলায় আসতে পারে। আর আমি এইভাবে যেন একটু একটু করে এগিয়ে যেতে পারি।