
গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হল ৫ লক্ষ কন্ঠে–ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,
বিগ্ৰেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হলো ৭ই ডিসেম্বর রবিবার, ঠিক সকাল ন’টায়, সনাতন সংস্কৃতি সংসদ আয়োজিত , পাঁচ লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠ। যাহার শুভ সূচনা হয় একটি শোভাযাত্রা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে, এই অনুষ্ঠান চলে দুপুর দুটো পর্যন্ত, অনুষ্ঠানে শুভ সূচনার পর প্রত্যেক সাধু-সন্ততিদের ও অতিথীদের উত্তরীয় পড়িয়ে বরণ করে নেন।
উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস, বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, সস্ত্রীক দিলীপ ঘোষ, রূপা গাঙ্গুলি সহ একাধিক সাধুসন্ততিরা।
কয়েক লক্ষ সাধু সন্ততী ও মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের বিগের মাঠ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে একাধিক সংগঠন এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।, বিভিন্ন রকম প্রশাসনের মধ্য দিয়ে ঢাক বাদ দিয়ে বাজিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন, কন্ঠে ধ্বনিত হয় জয় শ্রীরাম, গঙ্গা মাতার জয়, গোমাতার জয়, ভারত মাতার জয়, শ্রী কৃষ্ণের জয়, একাধিক দেব-দেবীর জয়ধ্বনি দিতে থাকেন, আর সাথে সাথে সারা বিগ্রেড মাঠ জুড়ে ধ্বনিত হয় শঙ্খ ধ্বনি, এবং সকাল থেকেই চলতে থাকে একের পর এক অনুষ্ঠান ভক্তিগীতি, গীতা পাঠ, এবং ,৭০০ শ্লোকের মধ্যে ১৫৮ টি শ্লোক উচ্চারিত হয়, গীতার প্রথম, অষ্টম ও নবম অধ্যায়। গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে তারা বিগেট মাঠ উত্তাল হয়ে ওঠে সাধু-সন্ততিদের জয় ধ্বনিতে ও নৃত্যে। ব্রিগেড মাঠে তিনটি মঞ্চ তৈরি হয় এবং এই তিনটি মঞ্চ থেকেই উচ্চারিত হয় গীতা পাঠ। সমস্ত অতিথিরা ও সাধু-সন্ততিরা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, এবং একে একে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন
পাঁচ লক্ষ কন্টেক গীতা পাঠ কে কেন্দ্র করে, বিভিন্ন জেলা থেকে সাধু-সন্ততি ও ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ ট্রেনে চড়ে , সাইকেলে করে আসতে থাকেন, এমনও চিত্র দেখা গেছে গীতা পাঠ শুরু হওয়ার সাথে সাথে ট্রেনে ও স্টেশনে বসে তারা গীতা পাঠ করছেন, শয়ে শয়ে মানুষ বিভিন্ন রাস্তা ধরে শোভা করে, জয়ধ্বনি দিতে দিতে মাঠে প্রবেশ করেছেন,
প্রশাসনের তরফ থেকেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছেন, যাহাতে কোনরকম গন্ডগোলের সৃষ্টি না হয়, কোনরকম অশান্তি না ছড়ায়, সুষ্ঠুভাবে সবাই যাতে মাঠে প্রবেশ করতে পারেন তাহার দিকে নজর রেখেছেন।।
বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন এটা কোন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নয়, এটা সম্পূর্ণ ধর্ম কেন্দ্রীক অনুষ্ঠান, হিন্দু ধর্মের অনুষ্ঠান, রাজনীতির কোন আলোচনা নয়,