
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দোসর কাওসার এখনো সক্রিয়।
স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া :কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়ন কাজিপুর গ্রামে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দোসর কাওসারের নতুন কৌশল অবলম্বন। শরিকদের ফাঁকি দিয়ে পুরো সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার নতুন কৌশলে ঘুরছে বিএনপি সহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন নেতাকর্মীদের কাছে।
আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি কামারুল আরেফিনের প্রধান হ্যান্ডস ও মিরপুর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মামুনের ডোনার ভাটা ব্যবসায়ী কাওছারের খুঁটির জোর কোথায় ? আওয়ামী লীগ নেতা কাওছারের বিরুদ্ধে অস্ত্র ,অবৈধ মাটি কাটা সহ তারই আপন বড় ভাই আশরাফুলের জমি আত্মসাতের মহাচেষ্টা । মৃত আশরাফুল ইসলামের ছেলে মোঃ জিসান হোসেন বলেন, ভাটা ও জমির মামলা চলমান থাকা অবস্থায় শরীকদের ফাঁকি দিয়ে জোর পূর্বক ইট ভাটার মাটি কেটে অন্য ভাটায় বিক্রয় করে দিচ্ছে এবং সম্পত্তি, ভাটার হিসাব বুঝিয়ে দেয়না কাউছার হোসেন।
মৃত আশরাফুল ইসলামের ছেলে মোঃ জিসান হোসেন আরো বলেন, মৃত রজব আলী প্রামাণিকের মেয়ে
মোছা: আলহেরা খাতুন, ছেলে মোঃ আরমান হোসেন, ছেলে মোঃ মোহাম্মদ ইসরাইল হোসেন,
মেয়ে মোছাঃ আলসেবা খাতুন, মেয়ে মোছা: হাবেলা খাতুন, মৃত জুব্বার প্রামাণিকের ছেলে মোঃ সিরাজুল ইসলাম তারা সাংবাদিকদের কাছে বলেন, সম্পত্তির হিসাব বুঝিয়ে দেয় না। সম্পত্তির হিসাব চাইলে মিথ্যা মামলা মোকাদ্দমা সহ প্রাণনাশের হুমকি দেয় এই ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের দোসর কাওছার।
ভুক্তভোগীরা সম্পত্তি বুঝিয়ে না দেওয়া বা অবৈধ দখলের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর আইনি সহায়তা ও প্রতিকার চেয়েছেন।
জিসান বলেন, আমার মা বাবা মারা যাওয়ার পর সাধারণত পৈতৃক বা ক্রয়কৃত জমির দখল ফেরত, আত্মসাৎকৃত সম্পদের হিসাব প্রদান এবং প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। জমিজমা অবৈধভাবে দখল করে রাখা এবং বাড়ি থেকে বের করে দেয় এই আওয়ামী লীগের পদ ধারী ফ্যাসিবাদীর দোসর কাউছার ।
জিসান আরো বলেন, আমার মা-বাবার মৃত্যুর পর পৈতৃক ব্যবসা ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব বুঝিয়ে না দিয়ে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।আমি এখন আমার ফুফুর বাড়ীতে থাকি। সেখানেও আমার উপরে বিভিন্ন সন্ত্রাস দ্বারা হামলা করে এবং আমাকে মামলায় ফাঁসানোর জন্য নিজের হাতে গুলি করার মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমার নাম সহ কয়েকজনের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে।বৈধ মালিককে ‘লা-ওয়ারিশ’ বা ‘ভুয়া’ প্রমাণ করার চেষ্টা। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধার ও অপরাধীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
ভুক্তভোগীরা আরও বলেন, এলাকায় একাধিকবার আইনের মাধ্যমে সালিশ হওয়ার পরেও প্রতিপক্ষ কাউছার আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় সালিশ মানে নাই।
ভাটা ও জমির মামলা চলমান থাকা অবস্থায় মাটি বিক্রি করছে কাউছার হোসেন এবং আমাকে আমার ভাগের অংশ না দিয়ে উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। আমি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দোসর এই কাওছার যেকোন মূহুর্তে আমার প্রাণনাশসহ বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে এর সঠিক বিচার দাবি করছি।