1. m29006217@gmail.com : দৈনিক আগামীর বাংলা : দৈনিক আগামীর বাংলা
  2. info@www.dainikagamirbangla.com : দৈনিক আগামীর বাংলা :
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মেহেরপুরে আসছেন আগামী কাল শনিবার পানি-সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সরিষাবাড়ীতে ফাইটার উল্টে আহত ১০ জন ডনেশনের নামে ঘুষের অভিযোগে সরিষাবাড়ীর এম এ সাত্তার মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ বিতর্কে হালুয়াঘাটে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজগর এর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত  ভোটের বার্তা দিতেই মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বরানগরে রোড শো করলেন। কালিয়াকৈর চন্দ্রা এি মোড়ে তাকওয়া পরিবহন মরণযান ও জ্যাম সৃষ্টির মুল কারণ মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন রাস বিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের দুই জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী। ফুলপুরে জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী কর্মসূচি: দপ্তর পরিদর্শন, উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও সহায়তা বিতরণ মেহেরপুরপ জিয়া খাল খনন উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনুষ্ঠানিক ভাবে জেলা প্রশাসন অ্যাপসের মাধ্যমে তেল বিক্রির শুভউদ্বোধন,

ডনেশনের নামে ঘুষের অভিযোগে সরিষাবাড়ীর এম এ সাত্তার মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ বিতর্কে

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ডনেশনের নামে ঘুষের অভিযোগে সরিষাবাড়ীর এম এ সাত্তার মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ বিতর্কে

সরিষাবাড়ী (জামালপুর): প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নে অবস্থিত “এম এ সাত্তার মেমোরিয়াল কলেজ”-এ ডনেশন, জামানত ও ঘুষের বিনিময়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অডিও রেকর্ড ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, দাবীকৃত অর্থ প্রদান করতে ব্যর্থ হওয়ায় কলেজের কম্পিউটার ল্যাব সহকারী মুস্তাক আহমেদকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি নিজেই অভিযোগ তুলে ধরেছেন।

জানা যায়, জাস ফাউন্ডেশন পরিচালিত কলেজটি ২০২৪ সালের ৪ জানুয়ারি স্থাপনের অনুমতি পায় এবং একই বছরের ২৫ এপ্রিল পাঠদানের অনুমোদন লাভ করে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন মো. আবদুস ছামাদ। যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী অধ্যক্ষ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগপত্রে ত্রুটির কথা বলে সেগুলো সংশোধনের নামে সংগ্রহ করে নেন বর্তমান অধ্যক্ষ। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও সংশ্লিষ্টদের কাছে নিয়োগপত্র ফেরত দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

এছাড়া, কলেজ পরিচালনা কমিটি ও জাস ফাউন্ডেশনের অগোচরে বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের কাছ থেকে ‘ডনেশন’ বা ‘জামানত’ নামে অর্থ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ল্যাপটপ বা অন্যান্য সরঞ্জাম কেনার অজুহাতেও অর্থ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও ভুক্তভোগীরা দাবি করেন।

পোগলদিঘা ইউনিয়নের মোনারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আহাম্মদ আলী অভিযোগ করেন, তার ছেলে দেলোয়ার হোসেন বাংলা বিভাগের প্রভাষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও অধ্যক্ষ তার কাছে ৩ লাখ টাকা দাবি করেন। অর্থ দিতে অপারগ হওয়ায় তার ছেলেকে চাকরিতে নেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, স্থানীয় মুস্তাক আহমেদ জানান, ২ লাখ টাকার চুক্তিতে তার চাকরি হলেও দীর্ঘদিন নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তিনি চাপ সৃষ্টি করলে অধ্যক্ষ ধাপে ধাপে তার পদাবনতি ঘটান। সর্বশেষ দাবীকৃত অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে কোনো কারণ ছাড়াই চাকরিচ্যুত করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে জাস ফাউন্ডেশনের সভাপতি তানজিলা সুলতানা বলেন, “অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো আমাদের জন্য বিস্ময়কর। এ ধরনের কোনো আর্থিক লেনদেনের অনুমোদন ফাউন্ডেশন থেকে দেওয়া হয়নি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ মো. আবদুস ছামাদ বলেন, “এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। কেউ শত্রুতাবশত এমন প্রচার চালাতে পারে। নিয়োগ ও অপসারণের বিষয়টি মূলত ফাউন্ডেশনের এখতিয়ারভুক্ত।”

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি উঠেছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট