বসন্ত এসে গেছে, দোল উৎসবে রং ও অন্যান্য সরঞ্জাম সাজিয়ে বসে ক্রেতারা।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ : আজ ১লা মার্চ রবিবার, আর মাত্র মাঝে একটা দিন বাকী, তারপরেই সারাদেশে পালিত হবে দোল ও হোলি উৎসব, মেতে উঠবে বাঙালি থেকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ছেলে মেয়ে বন্ধুবান্ধব ও অভিভাবকেরা, তাই কলকাতার বিভিন্ন মার্কেটে দোল ও হোলি উৎসবের পসরা সাজিয়ে বসে ক্রেতারা। আবীর থেকে শুরু করে বিভিন্ন মুখোশ, পিচকিরি ,বেলুন, চুল ও অন্যান্য সামগ্রী।
ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা, তাদের প্রয়োজনীয় দোল উৎসবের জিনিস কেনাকাটার জন্য, ছেলেমেয়েদের সাথে নিয়ে তারা দোকানে ভিড় জমিয়েছেন , কেউ কিনছেন গেঞ্জি রং বেলুন, আবার কেউ কিনছেন ছোটদের জন্য মুখোশ আবীর ও অন্যান্য রং। রংবেরঙের আবিরে সেজে উঠেছে মার্কেটগুলি। মনে হচ্ছিল যেন রামধনু ফুটে উঠেছে।
কোন গেঞ্জিতে লেখা হোলি হে, কোন গেঞ্জিতে লেখা বসন্ত এসে গেছে, আর কোন গেঞ্জিতে লেখা খেলবো হোলি রং দেবোনা, আবার কোন গেঞ্জিতে শ্রী রাধা কৃষ্ণের ছবি।
তবে দোকানদাররা জানালেন, আমরা কোন বাজে রং বিক্রি করছি না সমস্ত হারবাল প্রোডাক্ট, সরকার থেকে নিষেধাজ্ঞার জারির পর সমস্ত রং হারবাল কোম্পানী তৈরি করছেন, টা ছোট ছোট শিশু থেকে বড়দের পর্যন্ত ক্ষতি যাতে না হয়।
তবে ক্রেতারা জানালেন, প্রতিবছরই জিনিসের দাম কিছু না কিছু বেড়েই চলেছে, আর যত ফ্যাশন বাড়ছে, বিভিন্ন উৎসবে নতুন নতুন জিনিসের আবির্ভাব হয়ে থাকে, আর সেগুলি ছেলে মেয়েদের আকর্ষণ করে, তাই ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের আবদার রুখতে বাধ্য হই কিনে দেওয়ার জন্য। যতটা সম্ভব।
দোল উৎসবে মেতে উঠবে মায়াপুর, ইসকন ,কৃষ্ণনগর, থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্দিরে। সর্ব ধর্মের মানুষেরা একে অপরকে রং ও আবীর মাখিয়ে মেলবন্ধনের সৃষ্টি করবেন।
তবে ইদানিং দেখা যায়, দোল উৎসবের অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন সংস্থা, এনজিও ও ছোট ছোট নাচ ও গানের স্কুলগুলি, বিভিন্ন মাঠে পার্কে ও ছোট ছোট হল গুলি বুকিং করে দোল উৎসবে মেতে উঠেন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও সদস্যদের নিয়ে। এমনকি নিজেদেরকে বিভিন্ন সাজে সাজিয়ে তুলেন। কৃষ্ণ কেউ রাধা সেজে আবির নিয়ে খেলতে থাকেন।
ক্রেতাদের কাছে জানা গেল, একটি গেঞ্জির দাম ১০০ টাকা থেকে দেড়শো দুইশো টাকা, একটা পিচকির ি ৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা ৩০০ টাকার ৪০০ টাকা ও তার অধিক। একটি মুখোশ ৫০ টাকা থেকে দেড়শ ও দুইশো টাকা, রং ও আবিরের প্যাকেট মিনিমাম ২৫ টাকা থেকে শুরু করে তাহার অধিক। ফলস চুল দেড়শ টাকা থেকে ২০০ টাকা, বেলুনের প্যাকেট কুড়ি টাকা থেকে ৫০ টাকা। এইরকমই দাম দেখা গেল বেহালা মার্কেট, নিউমার্কেট, গড়িয়াহাট মার্কেট, শ্যামবাজার মার্কেট ,লেক মার্কেট ও গড়িয়া মার্কেট এবং এমনকি খিদিরপুর মার্কেট পর্যন্ত।