পেন্টাগন আয়োজিত- - ৬৫ তম চিত্র প্রদর্শনী শুভ সূচনা হলো.
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ: আজ ১লা মার্চ রবিবার, পেন্টাগন আয়োজিত , রাজীব সূর রায় ও অঞ্জনা দত্তের উদ্যোগে, কলকাতার একাডেমি অফ ফাইন আর্টসের- নিউ সাউথ গ্যালারীতে , ২৮ এ ফেব্রুয়ারি ঠিক বিকেল সাড়ে পাঁচটায় শুভ সূচনা হলো ৬৫ তম চিত্র প্রদর্শনী।
প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে, এই প্রদর্শনী শুভ সূচনা হয়, এই প্রদর্শনী শুভ সূচনা করেন ধীরেন শাসমল মহাশয়। প্রদর্শনী শুভ সূচনার পূর্বে , পেন্টাগনের তিন স্রষ্টা কে সকলে একসাথে শ্রদ্ধা জানান, যাহারা আজ আর নাই, যাহাদের প্রচেষ্টায় পেন্টাগন একটু একটু করে বেড়ে উঠেছিল। যাহারা সকলকে নিয়ে পথচলা শুরু করেছিলেন। আজ তাদেরকেই শ্রদ্ধা ও স্মরণ করতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন। এই প্রদর্শনী চলবে ২৮ শে ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ই মার্চ, প্রতিদিন খোলা থাকবে সকাল ১০ টা থেকে রাত্রি ৮টা পর্যন্ত এবং সকলের দেখার সুযোগ থাকছে। প্রদর্শনী শুভ সূচনা পর প্রত্যেক অতিথিকে উত্তরীয় পরিয়ে হাতে একটি করে পুস্পস্তবক দিয়ে সম্মানিত করেন।
এই প্রদর্শনীতে যে সকল বিখ্যাত চিত্রশিল্পী বিভিন্ন ছবি প্রদর্শিত হয়েছে, যাহারা বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত এবং দেশ বিদেশে তাহাদের ছবি প্রদর্শিত হয়, তাহাদের মধ্যে রয়েছেন- চিত্রশিল্পী ধীরেন শাসমল, অঞ্জনা দত্ত, রাজীব সুর রায়, সুব্রত ঘোষ, উৎপল ঘোষ, গৌতম সরকার, শ্রাবণী গাঙ্গুলী, , সুব্রত কর্মকার, Debarshi shasmal, সুজিত কুমার ঘোষ।
অসাধারণ সব হাতের কাজ ও তুলির টান ও কল্পনা চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে এবং প্রদর্শিত হয়েছে।
উদ্যোক্তাও সকল অতিথিরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, প্রতিবছরি আমরা এই প্রদর্শীনর আয়োজন করে থাকি। এই প্রদর্শনীতে নবীন থেকে প্রবীণ সকলের ছবি তুলে ধরার চেষ্টা করি, এবং সকলকে সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করি, স্রষ্টাদের হারিয়ে আবার সকলকে নিয়ে আস্তে আস্তে নতুন করে উঠে দাঁড়িয়েছি, সকলকে নিয়ে একটা মিলনের চেষ্টা করেছি।, আমাদের সৃষ্টি ও আমাদের ছোঁয়ায়। আজ পেন্টাগন আস্তে আস্তে বড় হয়ে উঠেছে এবং ৬৫ তম বর্ষে প্রদার্পণ করলো। তাই দোলের আগে রঙের ছোঁয়ায় ফুটে উঠুক আমাদের এই প্রদর্শনী ।
আবার অনেকে বলেন, সত্যি পেন্টাগন যেভাবে আমাদের পথ দেখানোর চেষ্টা করছেন, যাহাদের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন কিছু খুঁজে পাই, অনেক কিছু শিখতে পারি, আমরা পেন্টাগনের কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা এই জায়গায় পৌঁছাতে পেরে, এবং তিনটা গনের মত একটি সংস্থায় আমরা যুক্ত হতে পেরে। কৃতজ্ঞ শিক্ষকদের কাছে, যাহারা আমাদের পথ দেখিয়েছেন।