৪৯ তম আন্তর্জাতিক বইমেলার প্রস্তুতি ও শুভ সূচনা নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ : আজ ২১শে জানুয়ারি বুধবার, ৪৯ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলা শুভ সূচনা হতে চলেছে করুণাময়ী বইমেলা প্রাঙ্গণে। আর তাহারি শুভ সূচনা ও প্রস্তুতি নিয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করলেন, ২০ শে জানুয়ারি ঠিক বিকেল তিনটায়। বইমেলা প্রাঙ্গণে সকলের উপস্থিতিতে।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পাবলিশার্স এন্ড বুকসেলার্স গিল্ডের প্রেসিডেন্ট সুধাংশু শেখর দে, জেনারেল সেক্রেটারি ত্রিদিব কুমার চ্যাটার্জী, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মিলিন্দ দে, রনিত দাশগুপ্ত, সুদীপ্ত দে, শিবেন্দু ভট্টাচার্য, রাজু বর্মন এবং যোগেশ বাবু সহ অন্যান্যরা।
রাত পোহালেই আন্তর্জাতিক বইমেলার শুভ সূচনা হতে চলেছে, চলছে বইমেলা প্রাঙ্গণে তোড়জোড়, কাজ শেষ করার পালা, ২২শে জানুয়ারি ঠিক বিকেল চারটায় এই মেলার শুভ সূচনা করতে উপস্থিত হবেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাই মেলা প্রাঙ্গণকে সাজিয়ে তোলার চেষ্টা করছেন ডেকোরেটার্সদের কর্মীরা। একে একে বইমেলা প্রাঙ্গনে উপস্থিত হয়েছেন বিভিন্ন পাবলিশার্স, সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে উদ্বোধনের বিশেষ বিষয়গুলি আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
২২ শে জানুয়ারি বিকেল চারটে, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪৯ তম বইমেলার শুভ সূচনা করবেন। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এবছরের ফোকাল থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনার বিশিষ্ট সাহিত্যিক গুস্তাবো কানসোব্রে এবং ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার মাননীয় রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউসিনো, বিশিষ্ট সাহিত্যিক স্বপ্নময় চক্রবর্তী এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রী মহোদয়েরা।
শ্রী স্বপ্নময় চক্রবর্তীকে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিল্ডের জীবনব্যাপী সাহিত্য সম্মান পুরস্কার যার অর্থ মূল্য ২ লক্ষ টাকা প্রদান করবেন। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত দিয়ে,
মেলায় থাকছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সম্মাননা প্রদান, যেমন বলিষ্ঠ নাগরিক দিবস "চিরতরুণ" । ৩০ শে জানুয়ারি সম্মাননা জ্ঞাপন করা হবে কবি মৃদুল দাশগুপ্ত, প্রকাশক রাজেন্দ্র কুমার মেহরা এবং পাঠক নির্মল ভট্টাচার্যকে।
কলকাতা লিটারেচার festival (কেএলএফ) আয়োজিত হবে ২৪শে এবং ২৫ শে জানুয়ারি এস বি আই অডিটোরিয়ামে।
প্রতিবারের মতোই এবারও থাকছে বই প্রেমীদের জন্য বিভিন্ন উপহার, থাকছে নতুন নতুন বইয়ের সম্ভার, লিটিল ম্যাগাজিনের স্টল, ডিসকাউন্ট এর ব্যবস্থা, বিভিন্ন খাবারের স্টল, বই প্রেমীদের জন্য যোগাযোগের ব্যবস্থা, এছাড়াও থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সাহিত্যিকদের সমালোচনা ও অন্যান্য অনুষ্ঠান।
পাবলিশার্স এন্ড বুকসেলার্স গিল্ডের তরফ থেকে, সকল বই প্রেমিককে জানান শুভেচ্ছা, এবং যাহারা এই মেলা কে সুন্দরময় কোলের জন্য প্রতিবারই সহযোগিতা করে থাকেন ফায়ার ব্রিগেড, ইলেকট্রিক সাপ্লাই, প্রশাসনিক বিভাগ, পৌরসভা, পরিবহন দপ্তর , মেট্রো রেল পরিষেবা, পাবলিশার্স সহ সকলকে আমাদের তরফ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই, যাহাদের সহযোগিতা ছাড়া এই মেলা সুন্দরময় হয়ে উঠতে পারেনা। আগামী বছর সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে পদার্পণ করবে এই আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা,