গাজীপুর মহাসড়কে ফের সক্রিয় চোরাই তেলের সিন্ডিকেট।
মোঃসুলতান মাহমুদ,গাজীপুর প্রতিনিধি।
গাজীপুরে চোরাই জ্বালানি তেলের দোকানে প্রশাসনের একাধিকবার অভিযান আটক হওয়ার পরও থেমে নেই তেল চোরাচালানের সিন্ডিকেট। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সেলটারে মোরসালিন ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। রবিবার (১৪ ডিসেম্বর ) সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাইপাস যোগিতলা আন্ডারপাস সংলগ্ন এলাকায় মুরসালিনের দোকান ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কড্ডা এলাকায় চোরা তেলের দোকান বন্ধ থাকার পরও তাদের কর্মচারীরা গোপনে জ্বালানি তেল ক্রয় করছেন। এর আগে গত রোববার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোড় ও কড্ডা এলাকায় বাসন থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে। এ সময় বিপুল পরিমাণ চোরাই জ্বালানি তেল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।প্রশাসনের নির্দেশে এসব দোকান বন্ধ করে দেওয়া হলেও মুরসালিন অদৃশ্য প্রভাবের কারণে এখনো দোকান চালু রয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতজনের একটি সিন্ডিকেট পুরো চোরাই তেল ব্যবসাটি নিয়ন্ত্রণ করে। এর নেতৃত্বে রয়েছে মুরসালিন। প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরেই তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্বালানি তেল বিক্রেতা বলেন, ‘সাংবাদিক নিউজ করলে থানা থেকে আমাদের আগে জানিয়ে দেয় দোকান বন্ধ করার জন্য, কিন্তু এবার আমাদের জানায়নি। তাছাড়া আমাদের সবার দোকান বন্ধ থাকলেও মোরসালিন কিভাবে খোলা রাখে আমরা জানি না। ‘সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের দুই পাশে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে এসব অবৈধ তেলের দোকান। রাতে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও পণ্যবাহী যান থেকে পাইপের মাধ্যমে সরাসরি ট্যাংক থেকে তেল নামানো হয়। এতে সড়কে যানজট সৃষ্টি ছাড়াও বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, রাতভর তেল ও বালু নামানোয় পথচারীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। প্রতিবাদ করলে দোকানদার ও চক্রের সদস্যরা হুমকি ও গালিগালাজ করেন। তারা অবিলম্বে এই চোরাই তেল ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।